বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রতিমন্ত্রী শাহী আলম ও শিমুল বিশ্বাস। চলমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন নিরসনে করণীয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে।
রোববার সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাকশ্রমিকেরা। বিকেলের দিকে কয়েকটি এলাকায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেয়।
গাজীপুরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা একটি পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। একই সময়ে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের একটি গাড়িতেও আগুন দেওয়া হয়।
এ ছাড়া আশুলিয়ায় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের মুখোমুখি অবস্থান এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় বিভিন্ন শিল্প এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শ্রমিক অসন্তোষ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে ঢাকা ও আশপাশের শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে, রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পর্যালোচনার জন্য সরকার একটি ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে। শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় এই বোর্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শ্রমিকদের বিক্ষোভ, শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং চলমান অসন্তোষ নিরসনে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আলোচনা চলছে।