প্রথম ইনিংসে পাওয়া ১২৭ রানের লিডকে কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে রংপুর। দলের রান বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিপক্ষের সামনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করানোর চেষ্টায় ছিলেন ব্যাটসম্যানরা। অধিনায়ক আকবর আলী দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন। ৯৭ বল মোকাবিলা করে ৭৪ রান করেন তিনি। তাঁর এই ইনিংস রংপুরের সংগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আকবরের পাশাপাশি আবু হাসিমও ব্যাট হাতে অবদান রাখেন। তিনি ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর কার্যকর ইনিংসে রংপুরের সংগ্রহ আরও সমৃদ্ধ হয়। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ২৪৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে দলটি। প্রথম ইনিংসের লিডসহ ময়মনসিংহের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৭৩ রান।
জয়ের জন্য বড় লক্ষ্য সামনে নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ময়মনসিংহ। শুরু থেকেই লক্ষ্য তাড়া করার চ্যালেঞ্জ ছিল দলটির সামনে। তবে ব্যাটসম্যানরা উইকেটে টিকে থেকে রান তোলার চেষ্টা করেন। মাহিফিজুল ইসলাম রবিনের ব্যাট থেকে আসে ৬৮ রান। তাঁর এই ইনিংস ময়মনসিংহকে লড়াইয়ে রাখে।
অন্য প্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন আল আমিন জুনিয়র। তিনি ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। রবিন ও আল আমিনের ব্যাটিংয়ে ময়মনসিংহের ইনিংস এগিয়ে গেলেও জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলতে পারেনি দলটি।
শেষ পর্যন্ত ৬৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারায় ম্যাচের নিষ্পত্তি হয় ড্রয়ের মাধ্যমে। রংপুরের হয়ে আকবর আলীর ৭৪ ও আবু হাসিমের অপরাজিত ৪১ রান যেমন উল্লেখযোগ্য ছিল, তেমনি ময়মনসিংহের হয়ে মাহিফিজুল ইসলাম রবিন ও আল আমিন জুনিয়রের ব্যাটিংও দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রাখে।
সব মিলিয়ে দুই দলের ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্সে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের পর জয়-পরাজয় ছাড়াই শেষ হয় ম্যাচটি।