আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।
মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। পরে ২৪ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন সিয়াম। এর আগে গত ১৭ জুন তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সিয়ামের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। গত বছরের ৫ জানুয়ারি দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন মামলাটি করেন।
তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। দুদকের তদন্তে সিয়ামের জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩১ লাখ ৮১ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায় বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তাঁকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
একই ঘটনায় আলোচনায় আসেন তাঁর বাবা সৈয়দ আবেদ আলী জীবন, যিনি পিএসসির সাবেক গাড়িচালক। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাবা-ছেলের সম্পদ ও জীবনযাপন নিয়েও সে সময় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়।
সিয়ামের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালতের এ রায়ের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ সম্পন্ন হলো।