মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভারতের আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশের বাপটলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে ইয়ানামের কাছাকাছি স্থানে আঘাত হানতে পারে। এ সময় ঝড়টির স্থায়ী বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত, জলোচ্ছ্বাস এবং নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঝড়ের তীব্র বাতাসে কাঁচা ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং কৃষিজমির ক্ষতি হতে পারে।
অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং আগাম প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া এবং জরুরি সেবা প্রস্তুত রাখার উদ্যোগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় কয়েকটি জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কায়ও ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেশটিতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি বিবেচনায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও সম্ভাব্য প্রভাব পর্যবেক্ষণ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুসরণ এবং প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিরাপদ স্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।