October 25, 2026, 7:46 pm
শিরোনাম:
শিরোনাম:
মাত্র ৩ কোটি রুপির সিনেমার বিশ্বজুড়ে আয় ১১৭ কোটি আজকের এল ক্লাসিকো: বার্সেলোনা-রিয়াল মাদ্রিদ মহারণ বাংলাদেশে আদানি পাওয়ারের মুনাফা বেড়েছে ১৪১ শতাংশ, ৯ হাজার ১২৫ কোটি টাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও অনিশ্চিত নাহিদ রানা বৈদ্যুতিক গাড়ির পুরোনো ব্যাটারি কীভাবে আবার কাজে লাগে? ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভের ঢেউ, ফ্রান্স-ইতালি-আলবেনিয়ায় সংঘর্ষ চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হুজুরকে চাপড় মারার ঘটনায় অ্যাটর্নি জেনারেল যা বললেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্বে নেই আশরাফুল, দায়িত্ব পাচ্ছেন সালাউদ্দিন ফ্রান্সে ফের বিক্ষোভ, লিওঁতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ; নিরাপত্তা জোরদার

বাংলাদেশে আদানি পাওয়ারের মুনাফা বেড়েছে ১৪১ শতাংশ, ৯ হাজার ১২৫ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সময় : Sunday, October 25, 2026

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী ভারতীয় কোম্পানিটির জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে কর-পরবর্তী মুনাফা ৯ হাজার ১২৫ কোটি টাকা

ভারতের বেসরকারি খাতের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ার লিমিটেডের কর-পরবর্তী মুনাফা চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এ প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ হাজার ১২৫ কোটি টাকা হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই প্রান্তিকে এ মুনাফার পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকা।

কোম্পানিটির প্রকাশিত আর্থিক ফলাফল অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ভারতীয় মুদ্রায় কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৭ হাজার ১৯ কোটি রুপি। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ হাজার ৯০৬ কোটি রুপি। এককালীন পূর্ববর্তী সময়ের আয় এবং বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধিসহ কয়েকটি কারণে মুনাফায় উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

 

 ৯ হাজার ১২৫ কোটি টাকা

 

আদানি পাওয়ারের প্রকাশিত আর্থিক ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি ২৩ অক্টোবর চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সূত্র: আদানি পাওয়ার

 

পরিচালন আয় বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ

আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে আদানি পাওয়ারের চলমান কার্যক্রম থেকে পরিচালন আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১৭ হাজার ১৪ কোটি রুপিতে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ১১৮ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই প্রান্তিকে এ আয় ছিল ১৩ হাজার ১০৬ কোটি রুপি।

অন্যদিকে, পূর্ববর্তী সময়ের আয়সহ কোম্পানিটির মোট প্রতিবেদনভুক্ত আয় বেড়ে ১৯ হাজার ৯৫১ কোটি রুপি হয়েছে। আগের বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১৪ হাজার ৩০৮ কোটি রুপি। অর্থাৎ এ হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৯ দশমিক ৪ শতাংশ।

কোম্পানিটির ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির আওতায় বিক্রির পরিমাণ বাড়া এবং বিদ্যুতের বিক্রয়মূল্য বৃদ্ধির কারণে আয় ও মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি আগের সময়ের কিছু বিদ্যুৎ সরবরাহের মূল্য পুনর্নির্ধারণের ফলে এককালীন আয়ও বেড়েছে।

 

প্রথম ছয় মাসে মুনাফা বেড়েছে ৯১ শতাংশ

 

চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) আদানি পাওয়ারের কর-পরবর্তী মুনাফা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা হয়েছে ১১ হাজার ৮৮৬ কোটি রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মুনাফা ছিল ৬ হাজার ২১২ কোটি রুপি।

কোম্পানিটির আর্থিক ফলাফলে বলা হয়েছে, বিদ্যুতের চাহিদা ও বিক্রির পরিমাণ বৃদ্ধি, উন্নত বিক্রয়মূল্য এবং পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ মুনাফা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। তবে জ্বালানি ব্যয়ও বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে জ্বালানি ব্যয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১০ হাজার ২২৯ কোটি রুপি হয়েছে।

 

বাংলাদেশের অন্যতম বিদ্যুৎ সরবরাহকারী আদানি

 

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আদানি পাওয়ার অন্যতম। ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় অবস্থিত কোম্পানিটির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট।

বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির আওতায় এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। তবে প্রকৃত সরবরাহের পরিমাণ চাহিদা, কেন্দ্রের উৎপাদন এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালন পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে আমদানিনির্ভরতার কারণে আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি, সরবরাহের পরিমাণ এবং বিদ্যুতের মূল্য দেশের জ্বালানি ও অর্থনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

 

২০৩২ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট নতুন তাপবিদ্যুৎ সক্ষমতার লক্ষ্য

 

আদানি পাওয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস বি খ্যালিয়া জানিয়েছেন, ভারতের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা কোম্পানির অন্যতম অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে ২০৩২ সালের মধ্যে দেশে নতুন ১০০ গিগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা যুক্ত করার জাতীয় লক্ষ্যে অবদান রাখতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও বিদ্যমান সক্ষমতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি এবং উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ভারতের বিদ্যুৎ খাতে কোম্পানিটির ভূমিকা আরও বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আদানি পাওয়ারের আয় ও মুনাফায় উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে এককালীন আয়, জ্বালানি ব্যয় এবং বিদ্যুৎ বিক্রির মূল্য। এসব বিষয় ভবিষ্যতে কোম্পানিটির আর্থিক ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

Tags

আন্তর্জাতিক ফুটবল আন্তর্জাতিক সংবাদ ইউএনজিএ ৮১তম অধিবেশন ইউরোপীয় ফুটবল ইশরাক হোসেন উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ২০২৬ ককরোচ জনতা পার্টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাম্পিয়নস লিগ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ জাতীয় সংবাদ জামায়াতে ইসলামী জ্ঞানেশ কুমার ডোনাল্ড ট্রাম্প ঢাকা-৬ আসন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রযুক্তি সংবাদ ফুটবল খবর ফ্রান্সে বিক্ষোভ ফ্রান্সের রাজনৈতিক সংকট ফ্রান্সে সহিংসতা বাংলাদেশ বাংলাদেশ ক্রিকেট বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান টেস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ রাজনীতি বাংলাদেশ সংবাদ বাংলাদেশের রাজনীতি বাংলাদেশের শিক্ষা সংবাদ বার্সেলোনা বিএনপি বিনোদন সংবাদ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভারতের নির্বাচন কমিশন মধ্যপ্রাচ্য সংকট মাদকবিরোধী অভিযান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ময়মনসিংহের খবর রাহুল গান্ধী রিয়াল মাদ্রিদ রুহুল কবির রিজভী লিওনেল মেসি সৌদি আরবের সর্বশেষ খবর

পুরাতন খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর