স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৭টার দিকে ঈদগাঁও থেকে ঈদগড় যাওয়ার পথে সড়কের হিমছড়ি ডালায় প্রথম ডাকাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, সংঘবদ্ধ একটি দল চারটি টমটম ও দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রীদের জিম্মি করে। এ সময় মোহাম্মদ কালাম ও আলী আকবরের দুটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় থাকা যাত্রীদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করা হয়।
সকালের ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর দুপুর ২টার দিকে একই সড়কে দ্বিতীয় দফায় ডাকাতির অভিযোগ ওঠে। এ সময় সড়কের দুই পাশে যানবাহন আটকে অর্ধশতাধিক যাত্রীকে জিম্মি করা হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দ্বিতীয় দফার ঘটনায় যাত্রীদের কাছ থেকে নগদ টাকা, মুঠোফোনসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
দ্বিতীয় দফার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এনজিও সংস্থা মুক্তির কক্সবাজারের ঈদগড়ের সহকারী অ্যাকাউন্টস অফিসার আবদুল হাকিম, সুপার স্টার কোম্পানির প্রতিনিধি রবিউল এবং ইপসার কর্মী ইমন ও পিউ চাওদা ইকরামা রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের কাছ থেকেও নগদ টাকা ও মুঠোফোন লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরপর দুই দফায় ডাকাতির খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। বিশেষ করে দিনের বেলায় যানবাহন আটকে যাত্রীদের জিম্মি করার অভিযোগে সড়কটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ঈদগাঁও থানা-পুলিশ সদস্যরা স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় গহিন জঙ্গল থেকে নেকাব, বোরকা, গেঞ্জি ও শার্ট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদা জানান, ডাকাতির খবর পাওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় সম্ভাব্য স্থানগুলোতে, বিশেষ করে গহিন জঙ্গলে অভিযান চালিয়েছেন। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কতজন জড়িত, কত টাকার মালামাল লুট হয়েছে এবং কাউকে আটক করা হয়েছে কি না। সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।