বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানার ইউনিট-২ এ আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার বিভিন্ন অংশে। একপর্যায়ে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটসহ গাজীপুর, উত্তরা ও আশপাশের বিভিন্ন স্টেশনের মোট ১৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এ ছাড়া আরও চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলের পথে রয়েছে।
টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার শাহিন আলম অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কারখানার ভবনটি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি এবং এতে কাচও রয়েছে। ভবনের কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।
এদিকে আগুনে কারখানার ভেতরে থাকা ওষুধ, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও অন্যান্য মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানিয়েছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ১৪টি ইউনিট কাজ করছে এবং আরও চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং কারখানার কোন অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।