কেসিসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফরকে সামনে রেখে নগরীর ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার কেসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল ইমরানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
অভিযানের প্রথম পর্যায়ে নগরীর শিববাড়ী মোড়, মজিদ সরণি, সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল মোড়, এমএ বারী সড়ক এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়। হাসপাতালের ফটকের সামনে সড়ক দখল করে নির্মিত একটি বিএনপি কার্যালয় এক্সক্যাভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। পাশের আরেকটি কার্যালয় নিজস্ব উদ্যোগে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে।
পরে উচ্ছেদকারী দল বয়রা বাজার ও পুলিশ লাইন মোড় হয়ে নগরীর ডাকবাংলো মোড়ে অভিযান চালায়। সেখানে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ী নেতারা নিজেদের উদ্যোগে স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময় চাইলে তাঁদের সময় দেওয়া হয়।
নগরবাসীর অভিযোগ, ডাকবাংলো মোড়ের ফুটপাত দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। তাঁদের ভাষ্য, এ এলাকায় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে একটি গোষ্ঠী নিয়মিত চাঁদা আদায় করে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখলমুক্ত করার দাবি জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের।
কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, নগরবাসীর হাঁটাচলার সুবিধার জন্য কোটি টাকা ব্যয়ে ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছে। সেই ফুটপাত দখল করে কাউকে আর ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার জন্য গত সপ্তাহ থেকেই মাইকিং করে সতর্ক করা হয়েছে। এরপরও কেউ অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে দখল বজায় রাখার চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নগরীর ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কেসিসি।