শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি শনিবার সকাল ৬টায় সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শক্তিশালী হতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। সাগরে অবস্থানরত জেলেদের আবহাওয়ার সর্বশেষ সতর্কবার্তা অনুসরণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সাগরে সৃষ্ট এই আবহাওয়াব্যবস্থা আগামী কয়েক দিনে আরও শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এটি উত্তর অন্ধ্র প্রদেশ ও দক্ষিণ ওডিশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের সুনির্দিষ্ট গতিপথ, শক্তি ও উপকূলে আঘাত হানার সময় পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে বদলাতে পারে।
এদিকে, আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৭ ও ২৮ অক্টোবর এবং পরবর্তী ১ ও ২ নভেম্বরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ ও বিস্তৃতি নির্ভর করবে আবহাওয়াব্যবস্থার গতিপ্রকৃতি এবং পরবর্তী পূর্বাভাসের ওপর।
সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। তাই জেলেদের নিরাপত্তার স্বার্থে সতর্কতা অবলম্বন, গভীর সমুদ্রে যাত্রা এড়িয়ে চলা এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনার প্রতি নজর রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।