আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় মন্টেনেগ্রোর বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ। ম্যাচের নবম মিনিটে বায়েজিদের গোলে এগিয়ে যায় দল। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়াতে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলাররা। ম্যাচের ২৪ মিনিটে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পাভেল। এরপর ৩৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে বাংলাদেশের জয় আরও নিশ্চিত করেন তিনি। দলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন শাবক। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ফেস্টিভ্যালের এই সংস্করণে আটজন করে খেলোয়াড় নিয়ে দুই দলে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি ম্যাচের দুই অর্ধের দৈর্ঘ্য ২০ মিনিট করে।
প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে ‘সি’ গ্রুপে পঞ্চম হয়েছিল বাংলাদেশ। পঞ্চম স্থান অর্জনকারী ৩২টি দলকে নিয়ে গঠিত ‘ই’ টায়ারের নকআউট পর্বে খেলছে দলটি। সেখানে টানা তিন ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফাহিম হাসানের শিষ্যরা।
এই প্রতিযোগিতায় ছয়টি টায়ারে ছয়টি চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করা হবে। সেমিফাইনালে ওঠার মধ্য দিয়ে প্লেট পর্বে শিরোপার লড়াইয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলাররা।