মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, লুণ্ঠন ও ডাকাতির মতো অপরাধ বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে শফিকুর রহমান লেখেন, বাংলাদেশ পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮৪ জন নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় বাড়িটি থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদকও উদ্ধার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ঘটনাকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে এ ধরনের ঘটনা জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি করেছে।
দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরও লেখেন, আইনশৃঙ্খলাবিরোধী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি চাঁদাবাজি, ছিনতাই, লুণ্ঠন ও ডাকাতির মতো অপরাধও উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে তিনি মনে করেন।
স্ট্যাটাসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়টিও তুলে ধরেন শফিকুর রহমান। তাঁর অভিযোগ, জনদুর্ভোগ কমানো ও অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে সরকার বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত রয়েছে।
পোস্টের শেষাংশে তরুণদের আবারও জেগে ওঠার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে, বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধারের ঘটনার পর অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরকে পুলিশ সদর দপ্তরের অন্য একটি শাখায় সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সই করা এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
তবে অভিযানের ঘটনায় উদ্ধার করা মাদকের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নেওয়া পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ এবং বাড়িটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।