সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ নির্বাচনের ধাপ ও তারিখ সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ধাপভিত্তিক তারিখগুলো হলো –
প্রথম ধাপ: ২১ জানুয়ারি ২০২৭
দ্বিতীয় ধাপ: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৭
তৃতীয় ধাপ: ২৯ এপ্রিল ২০২৭
চতুর্থ ধাপ: ১৩ মে ২০২৭
পঞ্চম ধাপ: ২৭ মে ২০২৭
কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন এ পাঁচ ধাপে সম্পন্ন করা হবে।
ইসি সচিবালয়ের উপসচিব মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত চিঠি অনুযায়ী, কমিশন সভার আলোচ্যসূচিতে স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচন এবং ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
এ ছাড়া জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ, পার্সোনালাইজেশন সেন্টারের যন্ত্রপাতির অবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র ছাপানোর বিষয়েও আলোচনার কথা ছিল।
বকেয়া বিল পরিশোধ, নতুন চুক্তি সম্পাদনসংক্রান্ত কমিটির কার্যবিবরণী পর্যালোচনা এবং জাতীয় নির্বাচন পদক নীতিমালা-২০২৫ এর খসড়া অনুমোদনের বিষয়ও সভার আলোচ্যসূচিতে রাখা হয়।
এর আগে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছিলেন, কমিশন সভায় ইউপি নির্বাচনের ধাপ ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। তবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘোষণা করবেন।
নির্বাচন কমিশনের এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হয়ে মে মাসের শেষ দিকে শেষ হবে। এখন সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নজর থাকবে আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার দিকে।