সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আরামকো তেল শোধনাগারে পৃথক হামলার ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় আহতদের মধ্যে দুই বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছেন। তারা বর্তমানে সৌদি আরবের দাম্মামে সৌদি–জার্মান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২১ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে দুই বাংলাদেশি আহত হন। তবে তাদের শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন নেই। গরম ও ধোঁয়ার কারণে তারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হলেন কুমিল্লার বাঙ্গরাবাজার থানার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের অনুকূল চন্দ্র দাসের ছেলে সজল চন্দ্র দাস এবং নোয়াখালীর সদর উপজেলার দিনমনিরহাট এলাকার সিরাজুল হকের ছেলে মোহাম্মদ আবদুর রহিম। তারা সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে দুই বাংলাদেশিই সুস্থ আছেন। তারা বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেছেন। আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে দূতাবাসের একজন প্রতিনিধি হাসপাতালে গিয়ে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ ও হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুইজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশের নাগরিক রয়েছেন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহত আটজনের মধ্যে একজন সৌদি নাগরিক, দুজন ভারতীয়, দুজন ইয়েমেনি, দুজন বাংলাদেশি এবং একজন নেপালি নাগরিক। হামলার পরপরই আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।
বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার ঘটনায় দেশটিতে অবস্থানরত প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত থাকায় এ ধরনের হামলার খবর তাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে দেশটিতে থাকা প্রবাসীদের পাশাপাশি তাদের স্বজনেরাও পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
দাম্মাম বিমানবন্দরের পাশাপাশি সৌদি আরবের আরামকো তেল শোধনাগারেও পৃথক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় মোট চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে বিমানবন্দর ও তেল শোধনাগারে হামলার ধরন, হামলাকারীদের পরিচয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সীমিত।
সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো দেশটির অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তেল শোধনাগারের মতো স্থাপনায় হামলার ঘটনা শুধু দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি খাতের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়াতে পারে।
তবে হামলার ঘটনায় আরামকো স্থাপনার উৎপাদন কার্যক্রম কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে হামলার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্যের অভাব রয়েছে।
ইয়েমেনের হুথি বাহিনী এবং সৌদি সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের মধ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলার ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ইয়েমেনের সংঘাত অতীতে সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী অঞ্চল, বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনাকে ঘিরে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের শুরু থেকে দেশটির বিমানবন্দরগুলোতে হুথি হামলায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব ঘটনার সময়, স্থান এবং হতাহতের হিসাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।
আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবের বেসামরিক স্থাপনা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ওপর পড়লে সেখানে বসবাসরত বিদেশি কর্মীদের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক কর্মী সৌদি আরবে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। ফলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে তাদের কর্মস্থলে যাতায়াত, আবাসন এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়ও প্রভাব পড়তে পারে।
হামলায় আহত দুই বাংলাদেশির চিকিৎসার বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধির যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। আহতদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা এ মুহূর্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম অগ্রাধিকার।
সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য এ ঘটনা সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলা এবং জরুরি প্রয়োজনে দূতাবাস বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
সব মিলিয়ে, দাম্মাম বিমানবন্দর ও আরামকো তেল শোধনাগারে পৃথক হামলায় প্রাণহানির ঘটনা সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বিমানবন্দরের ঘটনায় দুই বাংলাদেশি আহত হওয়ায় প্রবাসীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে এসেছে। আপাতত আহত দুই বাংলাদেশি সুস্থ থাকলেও হামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, ক্ষয়ক্ষতির নির্ভরযোগ্য তথ্য এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সেদিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আরামকো তেল শোধনাগারে পৃথক হামলার ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় আহতদের মধ্যে দুই বাংলাদেশি প্রবাসী রয়েছেন। তারা বর্তমানে সৌদি আরবের দাম্মামে সৌদি–জার্মান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২১ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে দুই বাংলাদেশি আহত হন। তবে তাদের শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন নেই। গরম ও ধোঁয়ার কারণে তারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আহত দুই বাংলাদেশি হলেন কুমিল্লার বাঙ্গরাবাজার থানার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের অনুকূল চন্দ্র দাসের ছেলে সজল চন্দ্র দাস এবং নোয়াখালীর সদর উপজেলার দিনমনিরহাট এলাকার সিরাজুল হকের ছেলে মোহাম্মদ আবদুর রহিম। তারা সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে দুই বাংলাদেশিই সুস্থ আছেন। তারা বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেছেন। আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে দূতাবাসের একজন প্রতিনিধি হাসপাতালে গিয়ে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ ও হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় দুইজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশের নাগরিক রয়েছেন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহত আটজনের মধ্যে একজন সৌদি নাগরিক, দুজন ভারতীয়, দুজন ইয়েমেনি, দুজন বাংলাদেশি এবং একজন নেপালি নাগরিক। হামলার পরপরই আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।
বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার ঘটনায় দেশটিতে অবস্থানরত প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত থাকায় এ ধরনের হামলার খবর তাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে দেশটিতে থাকা প্রবাসীদের পাশাপাশি তাদের স্বজনেরাও পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
দাম্মাম বিমানবন্দরের পাশাপাশি সৌদি আরবের আরামকো তেল শোধনাগারেও পৃথক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় মোট চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে বিমানবন্দর ও তেল শোধনাগারে হামলার ধরন, হামলাকারীদের পরিচয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সীমিত।
সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো দেশটির অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তেল শোধনাগারের মতো স্থাপনায় হামলার ঘটনা শুধু দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয় নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি খাতের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়াতে পারে।
তবে হামলার ঘটনায় আরামকো স্থাপনার উৎপাদন কার্যক্রম কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে হামলার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্যের অভাব রয়েছে।
ইয়েমেনের হুথি বাহিনী এবং সৌদি সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের মধ্যে দীর্ঘদিনের সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলার ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ইয়েমেনের সংঘাত অতীতে সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী অঞ্চল, বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনাকে ঘিরে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের শুরু থেকে দেশটির বিমানবন্দরগুলোতে হুথি হামলায় অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব ঘটনার সময়, স্থান এবং হতাহতের হিসাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।
আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবের বেসামরিক স্থাপনা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ওপর পড়লে সেখানে বসবাসরত বিদেশি কর্মীদের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক কর্মী সৌদি আরবে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। ফলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে তাদের কর্মস্থলে যাতায়াত, আবাসন এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়ও প্রভাব পড়তে পারে।
দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় আহত দুই বাংলাদেশির চিকিৎসার বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধির যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। আহতদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা এ মুহূর্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম অগ্রাধিকার।
সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য এ ঘটনা সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলা এবং জরুরি প্রয়োজনে দূতাবাস বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
সব মিলিয়ে, দাম্মাম বিমানবন্দর ও আরামকো তেল শোধনাগারে পৃথক হামলায় প্রাণহানির ঘটনা সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বিমানবন্দরের ঘটনায় দুই বাংলাদেশি আহত হওয়ায় প্রবাসীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে এসেছে। আপাতত আহত দুই বাংলাদেশি সুস্থ থাকলেও হামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, ক্ষয়ক্ষতির নির্ভরযোগ্য তথ্য এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সেদিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।