October 23, 2026, 6:22 am
শিরোনাম:
শিরোনাম:
বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি মন্ত্রী মঈন খান, সিসিইউতে চিকিৎসাধীন জামায়াত বাদে স্থানীয় নির্বাচনে এক হচ্ছে কওমি ধারার সাত ইসলামী দল, ‘সমমনা ইসলামী দল’ জেন জি আন্দোলনের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নতুন মুখ নেহা বোরা সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট মেসির ২ রেকর্ড ভেঙে চ্যাম্পিয়নস লিগে হালান্ডের নতুন ইতিহাস সৌদি আরবে পৃথক হামলায় নিহত ৪, দাম্মাম বিমানবন্দরে আহত দুই বাংলাদেশি হেলিকপ্টারে সুন্দরবন পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর সাজেকে গোলাগুলি, নিরাপত্তা পাহারায় খাগড়াছড়িতে পাঠানো হলো ২,৯৩৩ পর্যটক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই পদত্যাগ, এবার জানালেন ইশরাক সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য জানায়নি কর্তৃপক্ষ; বাংলাদেশ দূতাবাস

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য জানায়নি কর্তৃপক্ষ; বাংলাদেশ দূতাবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সময় : Thursday, October 22, 2026

Table of Contents

২০২৩ সাল থেকে আটক ছিলেন নজরুল ও সুইটি | বন্দিদের তালিকায় মৃত্যুদণ্ডের তথ্য ছিল না।

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আগে বা পরে বাংলাদেশ দূতাবাস কিংবা জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানায়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চার দিন পর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানিয়েছে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রমকল্যাণ উইং।

গত ১৮ অক্টোবর পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নজরুল ইসলাম আবদুল বশির ও সুইটি আক্তার পৃথক অভিযোগে ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে আটক ছিলেন। তবে কনস্যুলেটের কাছে থাকা বন্দিদের তালিকায় তাঁদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কোনো তথ্য উল্লেখ ছিল না।

চিঠির তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর কনস্যুলেটের হাতে আসা বন্দিদের তালিকায় নজরুলের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সাইবার অপরাধ আইনে মামলার তথ্য ছিল। ২০২৩ সালের ১ আগস্ট তাঁকে আটক করা হয়। পরদিন ২ আগস্ট ব্যভিচারের অভিযোগে আটক করা হয় সুইটি আক্তারকে। নজরুল জেদ্দা সংশোধনাগারে এবং সুইটি জেদ্দা মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন। তাঁরা দুজনই সৌদি আরবের ‘আল মাজাল কোম্পানি’তে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

 

মৃত্যুদণ্ড

 

বন্দিদের তালিকায় ছিল না মৃত্যুদণ্ডের তথ্য

কনস্যুলেটের চিঠিতে বলা হয়েছে, বন্দিদের তালিকার সাত নম্বর কলামে দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদিদের সাজা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু নজরুল ও সুইটি আক্তারের ক্ষেত্রে সেখানে সাজার কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। ফলে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এমন তথ্য কনস্যুলেটের হাতে থাকা তালিকা থেকে জানা যায়নি।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবে সাইবার অপরাধ কিংবা ব্যভিচারের অভিযোগে কোনো বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নজির কনস্যুলেটের জানা নেই।

জেদ্দা কনস্যুলেটের আওতাধীন সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন কারাগারে নৈতিকতাসংক্রান্ত মামলায় ৩০৬ জন বাংলাদেশি আটক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৪৭ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে। এসব সাজা এক মাস থেকে সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত। এ ছাড়া, তথ্যপ্রযুক্তি বা সাইবার অপরাধসংক্রান্ত তিনটি পৃথক মামলায় মক্কায় বাংলাদেশিদের ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়ার তথ্যও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বিচার চলাকালে আইনি সহায়তা পেয়েছিলেন কি না, স্পষ্ট নয়

 

চিঠিতে সৌদি আরবের আদালতে অনুবাদ-সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, সৌদি আরবের ক্রিমিনাল কোর্টসহ অন্যান্য আদালতে শুনানির সময় ‘মারকাযুত তারজামাহ আল মুওয়াহহাদ’ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনুবাদ-সহায়তা নেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে বাংলাদেশ মিশনের পক্ষ থেকে আসামিদের জন্য অনুবাদক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে না।

তবে নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের বিচার চলাকালে তাঁদের পক্ষে দোভাষী বা আইনজীবী ছিলেন কি না, সে বিষয়ে চিঠিতে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

কনস্যুলেটের চিঠি অনুযায়ী, দুই বন্দির পরিবারের পক্ষ থেকেও আইনি সহায়তা চেয়ে কনস্যুলেটে কোনো আবেদন বা যোগাযোগ করা হয়নি। একই সঙ্গে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাঁদের মৃত্যুদণ্ডের রায় কিংবা তা কার্যকরের বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে, এমনকি অনানুষ্ঠানিকভাবেও কোনো তথ্য দেয়নি বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ

 

গত ১৪ অক্টোবর সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাতে দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশ করে। এরপর বিষয়টি নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বাংলাদেশ।

পরদিন, ১৫ অক্টোবর, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কূটনৈতিক পত্র পাঠিয়ে দুই বাংলাদেশির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চায়। পরে ১৮ অক্টোবর ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের কাছেও ওই কূটনৈতিক পত্রের অনুলিপি দেওয়া হয়।

সর্বশেষ গত সোমবার জেদ্দায় বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ফরিদ বিন সাদ আল সেহেরির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বাংলাদেশকে কেন জানানো হয়নি, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে আরও একটি কূটনৈতিক পত্র দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে বিচারিক প্রক্রিয়া, রায়ের বিবরণ এবং বাংলাদেশি মিশনকে অবহিত না করার কারণ সম্পর্কে সৌদি কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্ট নথির তথ্য থেকে বোঝা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

Tags

Walton Smartphone 2025 আন্তর্জাতিক ফুটবল আন্তর্জাতিক সংবাদ আবহাওয়া অধিদপ্তর ইউএনজিএ ৮১তম অধিবেশন ইউরোপীয় ফুটবল ইশরাক হোসেন উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ২০২৬ ককরোচ জনতা পার্টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাম্পিয়নস লিগ জলবায়ু পরিবর্তন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ জামায়াতে ইসলামী জ্ঞানেশ কুমার ডোনাল্ড ট্রাম্প ঢাকা-৬ আসন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রযুক্তি সংবাদ ফুটবল খবর ফ্রান্সে বিক্ষোভ ফ্রান্সের রাজনৈতিক সংকট বাংলাদেশ বাংলাদেশ ক্রিকেট বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান টেস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ রাজনীতি বাংলাদেশ সংবাদ বাংলাদেশের রাজনীতি বাংলাদেশের শিক্ষা সংবাদ বিএনপি বিনোদন সংবাদ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভারতের নির্বাচন কমিশন মধ্যপ্রাচ্য সংকট ময়মনসিংহ মাদকবিরোধী অভিযান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ময়মনসিংহের খবর রাহুল গান্ধী লিওনেল মেসি সৌদি আরবের সর্বশেষ খবর স্থানীয় সরকার নির্বাচন

পুরাতন খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর