গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আ ন ম আয়াস (২৯), মো. সাকিবুল হাসান (১৯), মো. সুজন মিয়া (১৮) ও মারজিয়া খন্দকার রিমি (২৭)। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে করা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দিতে যান ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ নামের একটি সংগঠনের সদস্যসচিব এ এন এম আয়াসসহ কয়েকজন। এ সময় তাঁদের আটক করে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁদের আটক করা হয়েছিল। পরে তাঁদের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে নেওয়া হয়।
গত ৫ অক্টোবর সেগুনবাগিচায় ফুটপাত দখলমুক্ত করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এরপর ফুটপাতসংলগ্ন দেয়ালে দেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদান রাখা ১০ গুণী ব্যক্তির প্রতিকৃতি আঁকা হয়।
দেয়ালে যাঁদের প্রতিকৃতি স্থান পেয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। পরে দেয়ালসংলগ্ন ফুটপাতটি পথচারীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
সেই দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চারজনকে আটক এবং পরে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে মামলার অভিযোগ ও পুলিশের বক্তব্যের বাইরে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।